অন্ধকারের শামিয়ানায় আলোর ঝালর ঝুলিয়ে
অন্ধকারের কথা কি করে বলি দীপান্বিতা?
তাও যদি জানতে চাইতে প্রতিফলিত রোশনাই এ
আমার দুই জন্মান্ধ চোখ বর্ণান্ধ হয়েছে কিনা!
জানি ইস্পাতসদৃশ গালে ওই ধারালো লাল ঠোঁট দুটো
যখন সমস্বরে বলে সমৃদ্ধির কথা,
আমাকেও বলতে হবে
তোমার এই আলোকমালায় সাজিয়ে নেওয়া
চাওয়া পাওয়ার গল্প…
মধ্যবৃত্তীয় উপাসনাকক্ষে গালিবর্জিত হিসাব খাতায়
একা একা!
সে না হয় বলে দেবো…
বাতি ঘরের সেই আছড়ে পড়া
দুর্দান্ত হাওয়াটার মত,
এক একটা অভিঘাতে অভিনন্দিত করে
তোমার মসৃণ যৌবনের স্টেপ জাম্প করা প্রত্যেকটি প্রমাণিত উপপাদ্যকে!
যদি অন্ধকার থাকে ওই গলি পথে।
এক হাত দিয়ে না হয় সরিয়ে দেব
কেন্নোর মত ঘিনঘিন করা ওই কটা স্বপ্ন মাস।
শিথিল পেশীর ওপর ফুটে থাকা বিশ্বাসের জলছবিটা
মুছে দেব সেই পাওয়া না পাওয়ার ন্যাতা হয়ে যাওয়া প্রশ্নে।
শুধু অন্ধকার চাই।
অন্ধকার চাই
আমার উলঙ্গ শরীরের সবুজ থেকে যাওয়া বর্ণ জঠরে!
…
উপায় নেই প্রিয়তমা।
আলোর শামিয়ানা তলে রয়েই গেছে
কচি জামের গন্ধ নিয়ে সেই বৃষ্টির কবিতা।
রাস্তা পাশের বুনো ফুলটায়
এখনও ঝরে পড়ে ধনুক হাসির সেই কুচো মুক্তো,
মিশমিশে কালো তোমার শেষ চুম্বনে
এখনও বেজে ওঠে আমার সেই বিসমিল্লা…
এখনও আছো সমর্পিতা, দীপান্বিতা হয়ে!
শেষ অন্ধকার না হলে কি করে বলি
শেষ কবিতার কথা?
আপাতত তাই আলোর কথাই রইলো।
(দীপাবলী, ১৪১০)
KHUB VALO LAGLO.