স্বপ্নের বাড়িতে প্রবেশটা শিথিল হবে…
এই ভাবনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার মতো, অবাধে ছড়িয়ে পড়ার মতো।
সারাদিন ঝর্ণার জল এসে যেখানে ভাবনায় পড়ছে
আর ছিটকে যাচ্ছে একটু দূরে ডুবিয়ে রাখা পা দুটোর দিকে,
সেই গতি যেমন শিথিল…
কিংবা গতির শেষে স্পর্শের পাখা মেলে দেওয়া যেমন শিথিল।
এ বাড়ির বুনোটও শিথিল।
কারণ এটা কংক্রিটের বাড়ি নয়, কাঠের বাড়ি
প্রবেশপথে নয়, অন্দরপথের অদূরেই মুখচ্ছবি দেখার জন্য জলআরশি
কথামতো ছিটিয়ে থাকা আদিম, বহুবর্ণ নুড়ি, ইত্যাদি
এদের সঙ্গে স্নানে স্নানে বেলা যায় না, বেলা মনোবিকলনের মতো নিশিত, স্থির।
নিশিগন্ধা আঁকা গালিচা, তাতে নুড়ির সংস্থাপনও দেখুন, কেমন শিথিল।
ভেতরে বাইরে এই দুই পথেই পঞ্চম সুরের আনাগোনা। পঞ্চম সুর অর্থাৎ পা।
সেই শুদ্ধ শরীরাঙ্গের সঙ্গে মানানসই হল –
দূরাদয়শ্চক্রনিভস্য তন্বী তমালতালীবনরাজিনীলা।
এইমতো আমার জন্য অপেক্ষা করিয়ে রাখা সেই আরও কাজল নির্জনতা
নির্জনতার তন্বীরেখা, আদ্যোপান্ত শিথিল।
সেই শিথিল অয়নান্ত সঞ্জাত আবেশ, আবেশে অবরুদ্ধ এই সুপ্রভাত, আপনাকে!
Your Bengali Poem took me to another place, another time.When time was available to see
a bit of life, and to enjoy. I have seen such houses, you have captured the scenes well. We want to see more of you, in Palki.
Do keep writing. Best wishes: Sugata Sanyal