আর একদিন –
সূর্যবিহীন ঐ দিগন্তে
আলোর মানে খুঁজে খুঁজে ক্লান্ত
নাম-না-জানা এক অচিন পাখি
ঠিক করল –
ভোরের ঠিকানা খুঁজে তাকে পেতেই হবে,
ছোট্ট দুটি ডানায় সাহস বেঁধে
এই আঁধার তাকে পেরিয়ে যেতেই হবে;
অন্ধকারকে তার যে বড্ড ভয়।
চাপ চাপ অন্ধকারের তটভূমিতে
অজস্র ঢেউয়ে আছড়ে পড়া সমুদ্র
শিস দিয়ে গান গেয়ে উঠেছিল;
বলেছিল –
ঠিক পৌঁছে যাবে।
অন্ধকারের বুক চিরে তাই
ভীরু পাখায় উড়ে যায়
সেই ছোট্ট পাখিটা –
শুধু আলোর আশায়,
আর ভয় পাবে না বলে,
দিগন্তের ওপারের নিশানায়।
প্রহরের পর প্রহর ফুরায়,
দিন যায়, মাস যায়,
চঞ্চল পাখনায় ক্লান্তি নামতে চায়;
তবু যতদূর চোখ যায়,
মিশমিশে আঁধারের কালিমায়
কলঙ্কিত সমুদ্র নিস্তরঙ্গ, –
কোন সুনামির অপেক্ষায় কি?
ফিকে হয়ে আসা অন্ধকারের প্রতিশ্রুতিতে
আর ভোরের আলোর তুলিতে আঁকা
সুদূর দিগন্তের মায়াবী কিনারা
শুধু অলীক মরীচিকা হয়ে
দূরে, আরো দূরে সরে যায়।
স্বাতী,
আপনার লেখা কবিতাটি পড়ে আব্বৃত্তি করতে ইচ্ছে করছে, মন ছুঁয়ে গেল, আপনার লেখা আরো কবিতা পড়ার অপেক্ষায় রইলাম, অনেক অভিনন্দন।
- ময়ূরী
ধন্যবাদ ময়ুরী.