|
চড়ুই করেন কিচির মিচির শালিক ছানা দিচ্ছে হানা পায়রা হাঁকেন বকম্ বকম্ চালের আগে ভাত ছড়ালে ময়ূর পেখম রঙ বাহারি আসছে বুঝি বর্ষা রাণী ঘর নাই থাক পূর্ণ যে তার কোকিল ডাকে নতুন সাজে রোজের ভোরে বেহাগ সুরে লাল ঝুঁটি আর লম্বা ঠোঁটে বাঁশির মত লম্বা ঠোঁট শ্বেত বসনে লাগছে ভারী ছোঁ মারে যেই এক নজরে পড়ল যদি চিলের নজর কাক বলে তায় সবাই চেনে আবর্জনা কুড়িয়ে ফেলে কান ফাটানো কাঃ কাঃ স্বরে ঝাড়ুদারের নাম পেয়েছে মাছরাঙা তার নামটি খাসা যেই না পাওয়া মাছের দেখা কপাত্ করে আস্ত সে মাছ রাঙিয়ে দেহ নানা রঙে ঠকাস ঠকাস খুটুর খুটুর আস্ত গাছে ফোকল করে কাঠের কাজে ব্যস্ত ভারী ভাবছ কে সে কাঠঠোকরা নাইবা হলো ইঁট সুরকি খড়কুটোতেই ব্যস্ত ভারী শেখায়নি কেউ হাতটি ধরে তবুও খাসা বাঁধন ঠাসা থপাস থপাস পুকুর জলে জলের পরে স্থলেও চলে রাজহংস নামটি যেন সোনার ডিমের গল্প আছে দিন ফুরোলো আকাশ যে তাই হুতুম পেঁচায় বড্ড চেঁচায় জেদ ধরেছে ছোট্ট ছেলে ঘর ছেড়েছে তাই প্যাঁচানী চোখ দুটোরও জোর বেড়েছে প্যাঁচার ঘরে জমবে আসর ব্যস্ত সবাই আপন কাজে রাত ফুরালেই কাটবে আঁধার চোখ ধাঁধাঁবে ঢুকবে যখন সারবে আসর চট জলদি যাক ফুরালো কাব্য কথা এদের পাশে আমরা যেন সমাজ জুড়ে সকল পাশে আমরা আছি এদের সাথে |
ছোট্টো খুদের ঝড়। চিলেকোঠার ঘর। রকম বোঝা তার। মুখটি করেন ভার। রঙিন জামা গায়। নাচ দেখাবে তাই। ছন্দ সুরের জোর। বসন্তের ঐ ভোর। কঁকঁর কঁকঁর রাগ। মোরগ ভায়ার ডাক। আর লম্বা দুটি পা। বক-বকালির ছা। সকল মুন্ডু পাত। সবাই কুপোকাত। রঙটি বেজায় কালো। কাজ পেয়েছে ভালো। মনের সুখে গায়। বেজায় খুশি তায়। জলের ধারে ঘর। অমনি চেপে ধর। মুখের মধ্যে ঠুসি। মাছরাঙা তাই খুশি। কাঠ কাটে দিন ভোর। মস্ত ঠোঁটে জোর। সময় নেইকো আর। নামটি হলো তার। নাইবা সিমেন্ট ঠাসা। বুনতে নিজের বাসা। বলেনি কেউ কর। বাবুই পাখির ঘর। জলের পোকা খায়। আঙুল জোড়া তাই। ভেবোনা কম ভাই। ভুলে গেছ তাই। অন্ধকারে সাজে। মন বসেছে কাজে। খাবার এখন চাই। খাবার কোথায় পাই। যেই হয়েছে রাত। পড়বে রকম পাত। লাগিয়ে বুকের জোর। আসবে আবার ভোর। ভোরের আলো ঘরে। মধ্য রাতের পরে। আসল কথা কই। সকল ভাবে রই। দেখতে এদের চাই। এরাও আছে তাই। |